ইউরোপিয়ান কমিশন (ইসি) কিছু শুল্কমুক্ত চিনি আমদানি অনুমোদনের কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ইউরোপের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকারীদের ওপর চাপ কমানো। কারণ বিশ্ববাজারে দীর্ঘ সময়ব্যাপী চিনির দাম নিম্নমুখী। তাই দামে সহায়তা ও বাড়তি প্রতিযোগিতা মোকাবেলায় শুল্কমুক্ত চিনি আমদানি স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। খবর আরব নিউজ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ইউরোপিয়ান কমিশনার ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড ক্রিস্টফ হ্যানসেন বলেন, ‘আমি চিনি উৎপাদনকারীদের ওপর চাপ কমানোর জন্য শুল্কমুক্ত চিনি আমদানি সাময়িক স্থগিতকরণের প্রস্তাব দেব।’
আইপিআর (ইনওয়ার্ড প্রসেসিং রেজিম) কর্মসূচির মাধ্যমে ইইউভুক্ত কোম্পানিগুলোকে সীমাহীন এবং শুল্কমুক্ত চিনি আমদানি করার সুযোগ দেয়। তবে সেক্ষেত্রে শর্ত হলো সেই চিনি খাদ্যপণ্য হিসেবে প্রক্রিয়াজাত করতে হবে। এরপর ইইউর বাইরে পুনঃরফতানি করতে হবে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আইপিআরের আওতায় অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছে ৫ লাখ ৮৭ হাজার টন, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ চিনি এসেছে ব্রাজিল থেকে। একই সময়ে আইপিআরের আওতায় পরিশোধিত চিনি আমদানি ৫ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার টনে পৌঁছেছে।